গ্রোস আইল, ২৯ মে : গ্রোস আইল পুলিশ জানিয়েছে, তারা শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজই নয়—প্রয়োজনে পার্সেল ডেলিভারিও করে থাকে।
বুধবার বিকেলে ওয়াটারওয়ে ড্রাইভ এলাকায় টহলরত পুলিশ সদস্যরা এক ডেলিভারি চালককে দেখতে পান, যাকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি গাড়ির চালকের আসনে বসেই ঘুমিয়ে পড়েছেন। তবে দ্রুতই তারা বুঝতে পারেন, বিষয়টি সাধারণ কোনো ‘পাওয়ার ন্যাপ’ বা ক্ষণিকের ঘুম নয়।
পুলিশ জানায়, গাড়ির ইঞ্জিন তখনও চালু ছিল এবং ভেতরে বিতরণের অপেক্ষায় থাকা পার্সেলের স্তূপ পড়ে ছিল। এ সময় গাড়ির ভেতর থেকে সন্দেহভাজন হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
পরে ওই চালককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। কিন্তু এর ফলে গাড়িতে থাকা পার্সেলগুলো অবিতরিত অবস্থায় পড়ে থাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে পার্সেল পৌঁছে দিতে নিজেরাই ডেলিভারির দায়িত্ব নেয় গ্রোস আইল পুলিশ।
বিভাগের ফেসবুক পোস্টে পুলিশ জানায়, “আমরা জানি, অনেক বাসিন্দাই হয়তো তাদের পার্সেলের গতিবিধি নজরে রাখছিলেন এবং ভাবছিলেন, সেগুলো আসলে কোথায় গেল। আমাদের মধ্যরাতের শিফটে কর্মরত কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টায় ভ্যানটিতে থাকা প্রতিটি পার্সেলই গ্রোস আইলের নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।”
পোস্টে আরও বলা হয়, “আপনার পার্সেলটি হয়তো কোনো সাধারণ ডেলিভারি ভ্যানের পরিবর্তে একটি পুলিশ টহল গাড়িতে করে পৌঁছেছে। তবে আমরা এটিকে বরং এক ধরনের ‘উন্নততর ডেলিভারি পরিষেবা’ হিসেবেই দেখতে পছন্দ করি।”
পুলিশের এমন পার্সেল পৌঁছে দেওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। WDIV (চ্যানেল ৪)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ফ্ল্যাট রকে এক অ্যামাজন ডেলিভারি চালক শিফটের মাঝপথে চাকরি ছেড়ে চলে যান এবং পার্সেলগুলো রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নারী কর্মী তখন “চিৎকার-চেঁচামেচি” করছিলেন।
WDIV-এর তথ্য অনুযায়ী, ফ্ল্যাট রক পুলিশের প্রধান জানান, পরে পুলিশ কর্মকর্তারা প্রায় দুই ঘণ্টা সময় ব্যয় করে শহরের বিভিন্ন বাড়িতে প্রায় ২০টি পার্সেল পৌঁছে দেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com
নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

সুপ্রভাত মিশিগান ডেস্ক :